জাবি সিনেট নির্বাচন, প্রো-উপাচার্যকে হত্যার হুমকি

আদীব মুমিন, জাহাঙ্গীরনগর ‍বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কিছুদিন পর সিনেট নির্বাচন। শিক্ষকদের মধ্যে চলছে প্রস্তুতি ও প্যানেল গোছানোর কাজ। সেজন্য জাবির রেজিস্টার গ্রাজুয়েটরা তালিকাভুক্ত হচ্ছেন ভোটার হওয়ার জন্য। ইতোমধ্যে বিভিন্ন প্যানেলের মধ্যে শুরু হয়ে গেছে অসুস্থ প্রতিযোগিতা। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে হত্যারও হুমকি দেয়া হয়েছে প্রোভিসিকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আমির হোসেনকে মোবাইল ফেনে কোপানোর হুমকি দেয়া হয়েছে। তিনি বিষয়টি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামকে অবহিত করেছেন এবং আশুলিয়া থানায় একটি জিডি করেছেন (জিডি নং ২৪১)। অধ্যাপক ড. আমির হোসেন এ বিষয়ে জানান যে, ‘রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট থেকে সিনেট সদস্য নির্বাচনের তারিখ ঘোষিত হয়েছে। আমি একজন রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট এবং ভোটারকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত। সবাই যেন ভোটার হন এবং অনলাইন প্রক্রিয়াটি কি সেটা বুঝিয়ে বলার জন্য ফেইস বুকে আমি বিভিন্ন বিজ্ঞপ্তি দিয়েছি।  আমি সমাজবিজ্ঞান অনুষদের ভর্তি পরীক্ষার কাজে ব্যস্ত ছিলাম। সেই সময়ে সন্ধ্যা ৬-৫৫ মিনিটে ০১৯৭৭৮২৩৩৫০ নাম্বার মোবাইল ফোন থেকে আমার ফোনে একটি কল আসে।  নাম্বারটি ছিল অচেনা। আমি কলটি রিসিভ করি। ওপাশ থেকে পরিচয় দিয়েই কথা শুরু করেন। কিন্তু আমি চিনতে পারিনি। তিনি সিনেট নির্বাচন নিয়ে কথা বলেন এবং অশ্রাব্য ভাষায় প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবিরকে গালি দেন এবং নানা প্রসঙ্গের অবতারনা করেন। তিনি দাবি করেন তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা। তিনি অধ্যাপক ড. শরীফ এনামুল কবির আহুত গত  ৬ অক্টোবর  রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েটগণের মহাসমাবেশ নিয়ে নানা প্রশ্ন তোলেন এবং সমাবেশে এসে প্রতিবাদ জানানোর হুমকি দেন। আমি তাকে বলি, আপনারা আলাপ আলোচনা করে দূরুত্ব কমিয়ে আনেন না কেন। এই পর্যায়ে তিনি আমাকে বলেন, ‘কোবামু কোবামু কোবামু। আমি বিব্রত বোধ করে লাইন কেটে দেই।’ অধ্যাপক ড. আমির হোসেন বলেন যে, এ ধরনের ঘটনা অনভিপ্রেত এবং জীবন নাশের হুমকির শামিল। এর বিরুদ্ধে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।