শিক্ষা ক্ষেত্রে কোচিং সেন্টার ও বর্তমান অবস্থা

ফার্মগেটে বিভিন্ন ভবনে এভাবেই বিভিন্ন কোচিং সেন্টারের অবস্থান

আমাদের দেশে ঠিক কবে, কখন, কীভাবে কোচিং সেন্টারগুলোর জন্ম হল তা নিশ্চিত করে বলা যাবে না। তবে বর্তমানে যে আমরা একটি কোচিং রাজ্যে বসবাস করছি তা বলে দিতে হয় না। অলিতে গলিতে নানান ধরণের কোচিং সেন্টারের উপস্থিতিই তার জানান দেয়। নিয়ন্ত্রনহীনভাবে গড়ে ওঠা এই বিপুল সংখ্যক কোচিং সেন্টার ও প্রাইভেট পড়ানোর স্থানগুলো আমাদের ছাত্রছাত্রীদের যে জিম্মি করে ফেলছে তা সুস্পষ্ট। রাজধানীতে ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠেছে বিভিন্ন কোচিং সেন্টার। এসব কোচিং সেন্টারে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করা হলেও মানসম্মত শিক্ষা প্রদান নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে।

 

কোচিং সেন্টার শব্দের অর্থ ‘শিক্ষণ ও অনুশীলন কেন্দ্র’। যেখানে কোন কিছু নিয়মিত শেখা ও অনুশীলনের সুযোগ আছে সেটিই কোচিং সেন্টার। সেই হিসেবে বিদ্যালয়ও এক ধরণের কোচিং। কিন্তু কোচিং বলতে আমরা এখন বিশেষ এক ধরণের স্থানকে বুঝি যেটা বিদ্যালয়ের অতিরিক্ত। যে শিক্ষাটা বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে সম্পন্ন হওয়ার কথা সেটা এই জমানায় কোচিং সেন্টারে সম্পন্ন হচ্ছে। বিদ্যালয় গমন এখন আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। হালে পড়াশোনা বলতে যেটা বোঝানো হয় অর্থাৎ নোট প্রদান, বুঝে না বুঝে তা মুখস্ত করা ইত্যাদি কোচিং সেন্টারেই হয়। প্রয়োজন বা অপ্রয়োজনে কোচিংয়ে দৌঁড়ানো চাই। পাঁচজন যায় দেখে ষষ্ঠজনও আগ্রহী হয়। তবে শ্রেণীকক্ষে প্রকৃত শিখন-শিক্ষণ কার্যক্রমের ব্যর্থতাই কোচিং ব্যবস্থার প্রসারের জন্য দায়ী তা সন্দেহাতীতভাবে বলা যায়।

শিক্ষার্থীদের একাডেমিক পড়াশোনায় সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যেই মূলত কোচিং সেন্টার ব্যবস্থার জন্ম। কিন্তু ক্রমশ তা লাভজনক ব্যবসায়িক চিন্তাচেতনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। এর অন্যতম কারণ শিক্ষকদের দুর্বল বেতন কাঠামো। এ কথা খুব জোর দিয়েই বলা যায় যে আমাদের দেশে শিক্ষকদের বিশেষ করে প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের বেতন কাঠামো অত্যন্ত কম। দুর্মূল্যের এই বাজারে এই বেতন দিয়ে পরিবার নিয়ে মানসম্মতভাবে বেঁচে থাকাই দায়। ফলে শিক্ষকরা কোচিং সেন্টার পরিচালনা করতে কিংবা প্রাইভেট পড়াতে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন কালক্রমে। সেই সাথে যুক্ত হয়েছে উচ্চাভিলাস ও ব্যবসায়িক চিন্তাচেতনা। ফলে কোচিং সেন্টারগুলো মানের থেকে মুনাফার দিকেই নজর দেয় বেশি। অল্প জায়গায় অনেকগুলো ছেলেমেয়েকে ‘রেডিমেড জ্ঞান’ প্রদানই এর লক্ষ্যে পরিণত হয়েছে। আরও দুঃখজনক বিষয় হল এই ‘রেডিমেড জ্ঞান’ দিয়ে পরীক্ষায় ভাল ফলও লাভ করা যাচ্ছে।

কোচিং এর প্রকারভেদ আছে। একাডেমিক পড়া পড়ানোর জন্য কোচিং, ভর্তি কোচিং এবং বিশেষ কোন পরীক্ষায় অংশগ্রহণের নিমিত্তে কোচিং। বিদ্যালয়ের পাঠ্যক্রম অনুসরণ করে বার্ষিক, অর্ধবার্ষিক, মাধ্যমিক বা উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় কাঙ্ক্ষিত ফলাফল লাভের জন্যে রয়েছে একাডেমিক কোচিং। কাঙ্ক্ষিত বিদ্যলয় বা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য ভর্তি কোচিং এবং আইইএলটিএস, টোফেল বা জিআরই বা বিসিএস পরীক্ষা দেয়ার জন্য প্রস্তুতি কোচিং। একাডেমিক কোচিংয়ের ক্ষেত্রে আবার দু’টো ধারা দেখা যায়। একটা হল প্রাতিষ্ঠানিক কোচিং এবং আরেকটি হল স্যার/ম্যাডামের বাসা বা ভাড়া করা কক্ষ।

রাজধানীর কোচিং পাড়া হিসেবে ফার্মগেট এলাকাটি পরিচিত। এখানে মাত্র দশ মিনিটের হাটা পথে দেখা মিলে প্রায় শতাধিক কোচিং সেন্টার। অথচ পুরো ফার্মগেটে স্কুল, কলেজ, কিন্ডারগার্ডেন স্কুলের সংখ্যা সর্বচ্চ ৪৫টির মত। তবুও শিক্ষার্থীদের এসব কোচিং সেন্টারে প্রাথমিক পর্যায় হতে শুরু করে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি কোচিং, বিসিএস কোচিং এবং চাকুরী সম্পর্কিত প্রস্তুতি কোচিং করানো হয়। তবে প্রতিষ্ঠানগুলোতে মানসম্মত শিক্ষা প্রদান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ভাল শিক্ষক নিয়োগ এবং মানসম্মত শিক্ষা প্রদানের তুলনায় প্রতিষ্ঠানগুলোর নজর ব্যবসায়ের দিকেই বেশি। এসব প্রতিষ্ঠানে নিজেই পরিচালক ও শিক্ষক সেজে বসে আছেন অনেকেই। প্রতিষ্ঠানগুলোতে পর্যাপ্ত প্রশিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ না থাকলেও রয়েছে মোটা অংকের ফি। আবার শিক্ষার্থী ধরার জন্য ব্যবহার করা হয় ছাড়ের ফাঁদ। নির্দিষ্ট সময়ে ভর্তি হলে প্রতিষ্ঠানগুলো দেয় বিভিন্ন ধরনের ডিসকাউন্ট।

ফার্মগেট এলাকার রাজাবাজারে অবস্থিত “নাজনিন স্কুল & কলেজ” এর প্রধান শিক্ষকের কাছে এসব কোচিং সেন্টারের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান যে, কোচিং সেন্টারগুলো মূলত বেবসার উদ্দেশেই তৈরি করা হয়। তাছাড়া কিছু কিছু স্কুল, কলেজের প্রভাবশালী শিক্ষকেরাও এ ব্যবসার সাথে জড়িত। তারা অনেক শিক্ষার্থীকে জোর পূর্বক বা চাপ প্রদান করেও তাদের কোচিং সেন্টারে ভর্তি করান। শিক্ষকদের প্রাইভেট পড়ানোর ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটাও একটা ব্যবসা বলা যায়। আবার শিক্ষার্থীরা তাদের পাঠ ক্লাশে ভালোভাবে বুঝতে না পারলে তা প্রাইভেট টিচারের কাছে থেকে বুঝে নিতে পারে বলেই শিক্ষকেরা স্কুল, কলেজের পাশাপাশি প্রাইভেট পড়ান। সেসব পাঠ স্কুলেও তো দেয়া যায় তা জানতে চাইলে তিনি জানান, কিছু দুর্বল শিক্ষার্থী থাকে যারা সহজেই বুঝেনা তাদের জন্যই মুলত প্রাইভেট আর কোচিং সেন্টার। শিক্ষার্থী যায় বলেই তারা ব্যবসার এমন সুযোগ পায় বলেও তিনি জানান।

কোচিং সেন্টার  বা প্রাইভেট পড়ানোর বিষয়টি এখন পুরোদমে অনেক মানুষের পেশা। এই পেশা বা ব্যবস্থাটি গড়ে ওঠার পেছনে যে কারণগুলোকে দায়ী করা যায় তার মধ্যে প্রধান হচ্ছে বিদ্যালয়ের শ্রেণীকক্ষে শিক্ষা কার্যক্রমের মানের নিম্নগামীতা। স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রতিটি শিক্ষার্থীকে পাঠ বোঝানো, আলোচনা ও মূল্যায়নের জন্যে পর্যাপ্ত সময় পাওয়া যায় না। সেক্ষেত্রে পাঠে দুর্বলতা থেকে যায় বহু শিক্ষার্থীর। তখন তারা শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে যায় বা কোচিং সেন্টারগামী হয়। নাজনিন স্কুলের কিছু শিক্ষার্থী অভিযোগ করেন যে, তাদের অনেক শিক্ষক প্রাইভেট পড়ানোর জন্যে ইচ্ছে করে শ্রেণীকক্ষে আন্তরিকভাবে পাঠদান করেন না। যারা তার কাছে প্রাইভেট পড়ে তাদেরকে পরীক্ষায় নম্বর বেশি দেয়া হয়। পরীক্ষায় অধিক নম্বরের আশায় অনেকেই শিক্ষকের কাছে প্রাইভেট পড়তে যায়। আবার দেখা যায় যে প্রাইভেটে শিক্ষক নোট প্রদান করেন। বয়সের ব্যবধানের কারণে সেই নোট শিক্ষার্থীদের নিজের তৈরি নোটের চেয়ে অধিক মানসম্পন্ন হয়। যে শিক্ষার্থী পরীক্ষার খাতায় শিক্ষকের নোট মুখস্ত করে উত্তর প্রদান করে তার নম্বর নিজে থেকে উত্তর লেখা শিক্ষার্থীর চেয়ে বেড়ে যায়।

ফার্মগেট এলাকার কনকর্ড টাওয়ার ও গ্রীণ রোডের বিভিন্ন ভবনে এসব কোচিং সেন্টারগুলোর কার্যক্রম দেখে শিক্ষা বাণিজ্যের চিত্রই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিভিন্ন প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায় এসব প্রতিষ্ঠান ব্যবসায় পরিচলনা করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, ফার্মগেট এলাকার কনকর্ড টাওয়ারে গড়ে উঠেছে বেশ কিছু কোচিং সেন্টার। এর মধ্যে রয়েছে সানরাইজ, ক্যারিয়ার এইড, মেডিব্রাইড, অবজার্ভার, রেটিনা, কনফার্ম, ফোকাস, ইপিপি কোচিং সেন্টার ইত্যাদি। এছাড়া ফার্মগেট বাসস্ট্যান্ডের পাশে গ্রীণ রোডে দেখা মেলে নামী-দামী বেশ কিছু বিশ্ববিদ্যালয় কোচিং সেন্টারের। এসবের মধ্যে রয়েছে ইউসিসি, ইউনিএইড, সংশপ্তক, প্রাইমেট, আওয়াপ, ইউনিটি, আইকন, এভিস, মবিডিক, প্রাজমা, ভয়েজ, থ্রি ডক্টরস, স্ট্যান্ডার্স কমার্স এডুকেশন, আইকন, প্যারগন, বিইউপি, কমাকা, বিসিএস ক্যারিয়ার বিল্ডার্স, দূর্বার, ফেইম, একমি উল্লেখযোগ্য। এসব কোচিং সেন্টারে ইঞ্জিনিয়ারিং, মেডিক্যাল, মেরিন, আর্মি, টেক্সটাইল, সহকারী জজ নিয়োগ পরিক্ষা, বিসিএস প্রস্তুতি ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিসহ স্কুল কলেজে ভর্তির কোচিং করানো হয়। প্রতিষ্ঠানগুলো শহরের শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি গ্রাম থেকে উচ্চ শিক্ষার জন্য আসা সাধারণ শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে ব্যবসায় পরিচালনা করেন। বিভিন্ন চটকদার বিজ্ঞাপনের দ্বারা প্রতিষ্ঠানগুলো শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের আকৃষ্ট করলেও মানসম্মত শিক্ষা প্রদানে তাদের অনীহা রয়েছে বলে অভিযোগ করেন অনেক অভিভাবক এবং শিক্ষার্থী।

ময়মনসিংহ থেকে আসা শামীম নামের এক শিক্ষার্থী জানায়, আমি উদ্ভাস কোচিং এ ভর্তি হতে এসেছি। জানা যায়, আজকের মধ্যে ভর্তি হলে দুই হাজার টাকা ছাড় পাওয়া যাবে। ফার্মগেটের কনফার্ম স্কুল কোচিং সেন্টারের শিক্ষার্থী স্কুল ছাত্র সাব্বির, ইব্রাহিম ও ইকরাম এসেছে কোচিংয়ের ক্লাস করতে। তারা জানায়, আমরা পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ালেখা করছি। এখানে সব বিষয়ে পড়ানো হয়। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক ও শিক্ষক এজিএম মোস্তফা পাটোয়ারীর সঙ্গে শিক্ষাদান সম্পর্কে কথা বলতে চাইলে তিনি জানান, আমি ক্লাস নিয়ে ব্যস্ত আছি এখন কথা বলতে পারবো না।

এদিকে ফার্মগেটে নিজ সন্তানকে কোচিংয়ে নিয়ে আসা অভিভাবক আসমা জানান, এতো কোচিং সেন্টারের মধ্যে কোনটা ভাল কোনটা মন্দ তা বেছে নেওয়াই বর্তমানে কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি আরো বলেন, আমাদেরকে অসহায় হয়ে কোচিং সেন্টারগুলোর দ্বারস্থ হতে হয়। কারণ সবাই এখন কোচিংয়ের সাহায্যেই সন্তানদের পড়ালেখা করাচ্ছেন। পঞ্চম শ্রেণির একজন ছাত্রের জন্য প্রতি মাসে পাঁচ হাজার টাকা ফি প্রদান করা হয় বলে তিনি জানান। নজরুল ইসলাম নামের অপর এক অভিভাবকের কাছে জানতে চাইলে তিনিও তেমনই মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, কতিপয় প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় গড়ে ওঠা এসব কোচিং সেন্টার শিক্ষার্থীদের নিকট থেকে নানা প্রোগ্রামের নামে (যেমন-পিএসসি, জেএসসি, এসএসসি, এইচএসসি প্রোগ্রাম ইত্যাদি) ও অতিরিক্ত মডেল টেস্টের নামেও হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে মোটা অঙ্কের টাকা।

এসব বিষয়ে কথা হয় ইউসিসি, সানরাইজ, রেটিনা, উদ্ভাস, লিডার সহ বেশ কয়েকটি কোচিং কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। তারা জানায়, ব্যবসা তো বটেই, তবে শিক্ষার্থীদের সেবার দিকটিও আমরা দেখি। তারা জানান অনেক শিক্ষার্থীরাই ভর্তির সময় বিভিন্ন অজুহাতে টাকা কম দিতে চায় আমরা তাদের মানবিক দিক বিবেচনা করে টাকা কম নেই।  ইউসিসি কোচিং কত্রিপক্ষের জোরালো বক্তব্য যে, প্রতি বছর তাদের কোচিং এ কোচিংকৃত সর্বাধিক সংখ্যক শিক্ষার্থী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পায়।

কোচিং সেন্টার এবং প্রাইভেট পড়ানোর ক্ষেত্রে একটি সুস্পষ্ট ও গ্রহণযোগ্য নীতিমালা সকলেরই কাম্য। কোচিং সেন্টার থেকে শিক্ষা যেন শ্রেণীকক্ষে ফিরে আসে সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষা বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক ও শিক্ষা প্রশাসকদের সাথে আলোচনা করে শ্রেণীকক্ষে মানসম্মত শিক্ষাদান কার্যক্রম নিশ্চিত করে কোচিং ব্যবস্থাকে সীমিত আকারে নিয়ে আসা প্রয়োজন। সরকারি অনুমোদনক্রমে বিশেষ নীতিমালার আওতায় স্বল্প সংখ্যক কোচিং সেন্টার থাকতে পারে কিন্তু তা যেন বিদ্যালয়ের বিকল্প হয়ে না ওঠে। শিক্ষকগণ যেন শ্রেণী কার্যক্রমে মনোযোগী হন সেজন্যে তাদের জন্য যুগোপযুগী বেতন কাঠামো নিশ্চিত করেই কোচিং ব্যবস্থা ও প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করা কিংবা কমিয়ে আনা সম্ভব। নতুবা জোর করে কোচিং বন্ধ করলেও শ্রেণীকক্ষের শিক্ষার মান উন্নত হবে না। শিক্ষা মানুষের মৌলিক অধিকার। শিক্ষা নিয়ে আপোষ করার কোন সুযোগ নেই। তাই সুশিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই শিক্ষার্থীকেন্দ্রিক, যুগোপযুগী এবং বৈজ্ঞানিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা প্রয়োজন এবং তা বিদ্যালয়কে কেন্দ্র করেই, কোচিং সেন্টারকে নয়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।