সুবোধ তুই জেগে ওঠ

চ্যাম্পিয়ন রাব্বি তার বিতর্কে ‍সুবোধকে আগামির পরিবর্তনশীল বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে তুল ধরে।তিনি তার বিতর্কে তুলে ধরেন বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশ কিন্তু বর্তমান তরুণ প্রজন্ম তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভ্রান্ত এবং আমলারা দুর্নীতিগ্রস্ত এই ক্রান্তি অবস্থায় সুবোধ একজন প্রতিনিধিত্বশীল তরুণ যার হাত ধরে সমস্যা কাটিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার্স আপ ফাহমিনা বর্ষা তার বিতর্কে সবার মাঝে সু-বোধ কে জাগিয়ে তোলার আহবান জানান। সমাজে আজ নারীর প্রতি যে নানা ধরনের সহিংসতা বিভিন্ন জায়গায় নারীকে ধর্ষন, ইভটিজিং কিংবা কালো কণ্যা জন্ম হওয়ায় বাবার মুখ কালো হওয়ায় তখন তাদের মনে সুবোধ ঘুমিয়ে থাকে। তাই বৈষম্যহীন সমাজ ও নারীর জন্য সুন্দর পৃথিবী গঠনে সবার মাঝে সু-বোধকে জাগিয়ে তুলতে হবে।

১৫-১৮ নভেম্বর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় ১১তম আন্ত:বিভাগ সাংসদীয় বিতর্ক প্রতিযাগিতা ও ‘সুবোধ তুই জেগে ওঠ” এই শিরোনামে বারোয়ারি বিতর্ক প্রতিযোগিতা।“জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভার্সিটি ডিবেট অর্গানাইজেশন” আয়োজন করে এই বিতর্ক  প্রতিযোগিতার। তাদের চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে আজকের আয়োজন।
বারোয়ারি বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৫ জন বিতার্কিক অংশগ্রহণ করে। এই প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় ইন্সটিটিউট অব বিজনেস এ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের স্নাতক ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী মিনহাজুল আবেদিন রাব্বি। প্রথম রানার্স আপ হয় প্রাণিবিদ্যা বিভাগের স্নাতক ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহমিনা বর্ষা। এবং ২য় রানার্স আপ হয় ইন্সিটিটিউট অব ইনফরমেশন বিভাগের জাহিদুল ইসলাম ইমন।
চ্যাম্পিয়ন রাব্বি তার বিতর্কে  ‍সুবোধকে আগামির পরিবর্তনশীল বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে তুল ধরে।তিনি তার বিতর্কে তুলে ধরেন বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় দেশ কিন্তু বর্তমান তরুণ প্রজন্ম তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিভ্রান্ত এবং আমলারা দুর্নীতিগ্রস্ত এই ক্রান্তি অবস্থায় সুবোধ একজন প্রতিনিধিত্বশীল তরুণ যার হাত ধরে সমস্যা কাটিয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে।প্রতিযোগিতায় প্রথম রানার্স আপ ফাহমিনা বর্ষা তার বিতর্কে সবার মাঝে সু-বোধ কে জাগিয়ে তোলার আহবান জানান। সমাজে আজ নারীর প্রতি যে নানা ধরনের সহিংসতা বিভিন্ন জায়গায় নারীকে ধর্ষন, ইভটিজিং কিংবা কালো কণ্যা জন্ম হওয়ায় বাবার মুখ কালো হওয়ায় তখন তাদের মনে সুবোধ ঘুমিয়ে থাকে। তাই বৈষম্যহীন সমাজ ও নারীর জন্য সুন্দর পৃথিবী গঠনে সবার মাঝে সু-বোধকে জাগিয়ে তুলতে হবে।

আন্ত:বিভাগ   বিতর্কে মোট বিশটি বিভাগ থেকে দল অংশগ্রহন করে।এদের সবাইকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় দর্শন বিভাগ এবং রানার্স আপ হয় মার্কেটিং বিভাগ।দর্শন বিভাগের চ্যাম্পিয়ন দলের সদস্যরা ছিলেন স্নাতক চূড়ান্ত বর্ষের সোহানুর রহমান, ৩য় বর্ষের ফজলুল হক মারুফ এবং ফয়সাল মাহমুদ শান্ত।সাংসদীয় এই বিতর্কে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিতর্ক করেন সোহানুর রহমান , মন্ত্রী হিসেবে ফজলুল হক মারুফ ও সাংসদ ফয়সাল মাহমুদ।দলগঠন নিয়ে সোহানুর রহমান বলেন, আমাদের বিভাগের বিতর্ক ক্লাব “ ফিলোসফি ডিবেটিং ক্লাব” থেকে দল নির্ধারন করা হয়েছে।দলের প্রস্তুতি নিয়ে ফয়সাল বলেন, বিভাগে বিতর্ক ক্লাব থাকায় আমরা সবসময়ই বিতর্ক চর্চার মধ্যে থাকি।তারপরও কোন প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করলে সমসাময়িক বিষয়গুলো নিয়ে একটু পড়াশনা করি।ফাইনালে উঠার ধাপ নিয়ে সোহানুর রহমান বলেন, আমরা প্রথম রাউন্ডে নৃবিজ্ঞান বিভাগকে হারিয়ে, দ্বিতীয় রাউন্ডে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগকে হারিয়ে কোয়র্টারে উঠি।কোয়ার্টারে বিতর্ক হয় প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সাথে বিষয় ছিল এই সংসদ মনে করে “ধর্মীয় মৌলবাদই বিশ্ব-সন্ত্রাসের প্রধান কারন” আমরা এর বিপক্ষে বিতর্ক করে সেমিতে উঠি। সেমিতে আইবিএ ডিপার্টমেন্টের সাথে বিতর্ক হয়“ বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ইস্যুতে ব্যর্থ হয়েছে”।এই বিষয়ে আমরা জয়ী হয়ে চূড়ান্ত পর্বে উত্তীর্ণ হই।চূড়ান্ত পর্বে তাদের বিতর্ক হয় মার্কেটিং বিভাগের সাথে। বিষয় ছিল এই সংসদ মনে করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় নারী এবং পুরুষের জন্য সামন সমান ৫০% সিট নির্ধারন করবে। এই বিতর্কে দর্শন বিভাগ বিরোধী দল হিসেবে বিতর্ক করে চ্যাম্পিয়ন হয়। এবং সেরা বিতার্কিক হন চ্যাম্পিয়ন দলের সোহানুর রহমান।রানার্স আপ মার্কেটিং বিভাগ দলের সদস্যরা হলেন, স্নাতক ৩য় বর্ষের মমতাজুল আরিফ, প্রান্ত বণিক ও ২য় বর্ষের এম ইমতিয়াজ হৃদম।
প্রতিযোগিতার আহবায়ক ফয়সাল মাহমুদ শান্ত বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতর্ক চর্চা ছড়িয়ে দিতে জেইউডিও প্রতিবছর আন্ত:বিভাগ বিতর্কের আয়োজন করে থাকে।সবার সার্বিক সহযোগিতায় আমরা এবারও সফলভাবে আয়োজন করতে পেরেছি। সেজন্য সকলকে ধন্যবাদ

২৬/১১/১৭

আদীব মুমিন আরিফ
    

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।