ভ্রাম্যমান শিশু, অপরাধ ও বাংলাদেশ

শহরতলীর বিভিন্ন রেইলস্টেশণ,বাসস্টেশন বা টার্মিনালে আমরা প্রচুর শিশু দেখতে পাই।অধিকাংশ সময়ই তারা ময়লা বা ছেড়া পোষাক পরে থাকে।এরা এক স্টেশণ থেকে অন্য স্টেশণে সারাদিন রাত বাসে ট্রামে ঘুরে বেড়ায় এবং রাতে এসব স্টেশণের কোথাও কোন ছাদ বা আকাশের নিচেই আশ্রয় নেয়।মূলত এরাই ভ্রাম্যমান শিশু। বিশেষ করে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশণ,এয়ারপোর্ট রেলস্টেশন,তেজগাঁও, ক্যান্টনমেন্ট এলাকা, সদরঘাট ও টঙ্গীতে এসব ভ্রাম্যমান শিশুদের বেশী দেখা যায়। এদের এই পরিস্হিতির পিছনে রয়েছে নানারকম গল্প। অনেকেই গ্রাম থেকে পড়াশুনার প্রতি বিতৃষ্ণা থেকে পালিয়ে শহরে চলে আসে, আবার কেউ কেউ ভংগুর পরিবার বা মা,বাবার আলাদা থাকার কারণে অযত্ন বা অবহেলায় বিপথে চলে যায়  এবং  এমন জীবন বেঁছে নেয়। তবে বেশীরভাগ গবেষনায় দেখা গেছে শহরতলীর পতিতালয়গুলো ভেঙে ফেলায় এসব পতিতা নারীদের সন্তানেরা আশ্রয়হীণ হয়ে এমন জীবন যাপনে বাধ্য হয় […]

উপযুক্ত দামের অভাবে লিচুর পু্ষ্টিমান হুমকীর মুখে

কুষ্টিয়া থেকে ফিরে, (মিল্কী রেজা ) গিয়েছিলাম পাবনায়, সেখানিই কথা হলো লিচু ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন এর সাথে। তার সাথে কথা বলে জানতে পারলাম লিচু চাষ সম্পর্কে। বানিজ্যিক উদ্দেশ্য লিচু চাষের ক্ষেত্রে একজন কৃষককে নানারকম বিষয়ে চিন্তা করতে হয়। যেমন আকৃতি,পোকাবিহীন লিচু এবং লিচুর দাম ও লভ্যাংশ। কারণ এসব বিষয়ের উপর নির্ভর করেই বর্তমান বাজারে লিচুর মান বিবেচনা করা হয়। লিচু চাষ একটি কষ্টসাধ্য পদ্ধতী। লিচুর জমিতে কৃষককে প্রায় পুরোটা দিম কোন না কোনভাবে ব্যয় করতে হয়। তাছাড়া অনেক শারিরীক পরিশ্রম করতে হয়। যেমন বৃষ্টির রাতে প্রায় সারারাত জেগে কৃষককে গাছের ডালে বসে বৃষ্টিতে ভিজে বাদুড় পাহারা দিতে হয়।তাছাড়া সার প্রয়োগ, কীটনাশক প্রয়োগ, জাল ব্যবহার করা বিভিন্ন কাজতো রয়েছেই। কাজেই কৃষক তার চালান সাপেক্ষে লাভের দিকটা নিশ্চিত হতে চেষ্টা করে তাই […]

গুলশান-বাড্ডা লিঙ্ক রোডে ট্রাফিক পুলিশের খামখেয়ালির চিত্র কৃত্রিম যানজটে যাত্রীসাধারণের দুর্ভোগ চরমে

গুলশান-১ থেকে বাসে উঠেছি। গন্তব্য বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা। লিঙ্ক রোডের এ মাথায় আসতেই গাড়ি আটকালো পুলিশ। সাধারণত, ওই মোড়টায় একটু বেশি জটলা থাকায় ঠিক মোড়ের উপরেই যাত্রী নামাতে বা ওঠাতে দেয় না। এ গাাড়ির কোনো যাত্রী নামার ছিল না। ড্রাইভারেরও থামানোর কোনো ইচ্ছে ছিল না। পুলিশের ইশারাতেই গাড়ি থামলো। ড্রাইভারও বুঝতে পারছে না কেন গাড়ি থামানো হয়েছে। পুলিশও কোনো কথা বলে না। অনেক ডাকাডাকির পর কর্তব্যরত সার্জেন্ট বিরক্ত হয়ে একটা খিস্তি দিয়ে বলল দাঁড়িয়ে থাকতে। যাত্রীসাধারণের সবাই কোনো না কোনো কাজে বেরিয়েছে। রামপুরার দিক থেকে আসা বা গুলশানের দিক থেকে আসা, কোনো দিক থেকে আসা কোনো গাড়িই যেতে দিচ্ছে না। ফলে, গাড়ি বদল করে যাবারও সুযোগ নেই। দেখতে দেখতে দুই দিককার গাড়ির বিরাট একটা লাইন তৈরি হলো। এই পথের নিয়মিত […]

রাজশাহীতে হাজারো পরিবারের চুলকে ঘিরে আলোর হাতছানি চুলের কাজে নিয়োজিত কাজলী , নিলুফা ইয়াসমিন, রুমা খাতুন, জাহানারা বেগম, মুজিদুল ইসলাম জানান, তারা চুল ক্রয় করেন ৪ হাজার ৩’শ টাকা কেজি। প্রক্রিয়াজাতের পর প্রতি কেজি ১০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। তবে ১২ ইঞ্চির বেশি লম্বা হলে তার দাম ১৮ হাজার টাকা। এতে করে তাদের পরিবারে সচ্ছলতা ফিরে এসেছে।

চুল মানুষের সৌন্দর্য বহুগুনে বৃদ্ধি করে। চুল কেউ মাথার থেকে ছেটে আরো সুন্দর্যমন্ডিত করে। কাটছাট চুল রাস্তায় পড়ে থাকে পরিত্যক্ত অবস্থায়। এই চুল যখন শিল্পে আলোকবর্তিকা ছড়ায় তাহলে তো জো নেই। তেমনি রাজশাহীতে ফেলে রাখা চুলকে ঘিরে জমজমাট হয়ে উঠেছে চুলের হাট। স্বাবলম্বী হয়ে উঠেছে হাজারো পরিবার। এমটিই ঘটে রাজশাহীর তানোর উপজেলার চৌবাড়িয়া হাটে। মঙ্গলবার বাদে সপ্তাহে  ৬ দিন চুল বাজার থাকে সরগরম। এ চুলের হাটকে ঘিরে গড়ে উঠেছে ১৫ টি প্রক্রিয়াজাত কেন্দ্র। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরা পাচ্ছে স্বাবলম্বী হবার সমান সুযোগ। সব মিলিয়ে এখানে বেঁচা-কেনার পরিমান প্রায় ১ কোটি টাকা। এদিকে রাজশাহীর নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর ও মান্দা চুল প্রক্রিয়াজাত  কেন্দ্র থেকে চৌবাড়িয়ায় এলে এখানে রংপুর ও দিনাজপুর থেকে এ পণ্য কিনতে আসেন পাইকাররা। প্রতিদিন কমপক্ষে ২০ কেজি চুল বিক্রি হয় […]

“দিগন্তে চলো শব্দ যেথায় সূর্যসত্য” অ… আ… ই… উ… ও.. এ…. এ্যা… । মনকে বলো মোন, নদীকে বলো নোদী আহবান নয়রে পাগলা উচ্চারণ হবে আওভান ।

  অ… আ… ই… উ… ও.. এ…. এ্যা… । মনকে বলো মোন, নদীকে বলো নোদী আহবান নয়রে পাগলা উচ্চারণ হবে আওভান । আমাদের ছোট গাঁয়ে ছোট ছোট ঘর, থাকি সেথা সবে মিলে নাহি কেহ পর। পাড়ার সকল ছেলে মোরা ভাই ভাই এক সাথে খেলি আর পাঠশালে যাই। (কবি বন্দে আলী মিঁয়া) ধ্বনি, টিএসসি ৯নং কক্ষ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়। যেখানে প্রতিদিন বিকেলে গেলে এভাবে শোণা যায় শব্দ উচ্চারণের অবিরাম চেষ্টা আর আবৃত্তির ঝংকার। ধ্বনি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দ্বারা পরিচালিত “আবৃত্তি ও প্রমিত উচ্চারণ” চর্চার একটি সাংষ্কৃতিক সংগঠন। প্রগতিমুখী শিল্পচর্চার মাধ্যমে একটি সত্য সুন্দর পৃথিবীর স্বপ্ন দেখে ধ্বনি, তাই এর শ্লোগাণ-“দিগন্তে চলো শব্দ যেথায় সূর্যসত্য”। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরকে লেখা-পড়ার পাশাপাশি আবৃত্তি চর্চার মাধ্যমে সুস্থ সংষ্কৃতি ও সুন্দর মন নিয়ে গড়ে তোলায় ধ্বনি এক বড় […]

বাংলাদেশের রাব্বির বিশ্বজয় ম্যাক্রো ফটোগ্রাফি একটু ব্যয়বহুল, ম্যাক্রো লেন্সের দাম একটু বেশী তাই নিজেই বের করেন স্বল্পদামের ম্যাক্রো পদ্ধতি। শুধুমাত্র ১৮-৫৫ কিট লেন্সকে উল্টোভাবে বসিয়ে ছবি তোলেন তিনি যাকে বলে Reverse macro ।

রাশেদুল ইসলাম রাবিব একজন পরিশ্রমী ফটোগ্রাফারের্ নাম।একজন নিরলস আলোকচিত্রকর।ক্যামেরার মাধ্যমে করেন আলোর সাধনা।যার সাধনায় ফুটে উঠে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মাকড়শা আর প্রজাপতিরদের বিরল সুন্দর জগত।আলোকচিত্র অনেকের কাছে সখ, কিন্তু রাব্বির কাছে তার সাধনা।এক একটি প্রজাপতি, মাকড়শার ছবি তুলতে কখনো ৫-৬ ঘন্টা সময় পেরিয়ে যায় তার তবুও তিনি আবিষ্কার করেন এই ক্ষুদ্র প্রাণির অদ্ভুত জগত। তেমনি তার একটি তোলা ছবি এবার নির্বাচিত হয়েছে United Nation (UN) World Wildlife Day Photo Competition-2017 এ “10 Finalist” এর মাঝে।সারা বিশ্ব থেকে ফটোগ্রাফাররা ছবি জমা দিয়েছিলেন এই প্রতিযোগিতায়। সেখান থেকে ১০ টি দেশের মাত্র ১০টি ছবি নির্বাচিত হয় ।বাংলাদেশের হয়ে আমাদের রাব্বি সেখানে স্থান করে নেন।রাব্বির যে ছবিটি নির্বাচিত হয়েছে সেটি একটি মাকড়শার ছবি, যার বৈজ্ঞানিক নাম “Hyllus semicuprius”। ছবিটি তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস থেকে তুলেন।প্রতিটি […]

দেশের প্রথম কীটপতঙ্গের ডিএনএ বারকোডিংল্যাব আমরা একটি প্রাণীর বারকোড জেনে এর নামকরণ ও শ্রেণীবিন্যাস করি।যেমন মানুষের সবচেয়ে কাছের আত্মীয় শিম্পাঞ্জির সাথে মাইটোকন্ড্রিয়াল ডিএনএ এর পার্থক্য মাত্র পাঁচ শতাংশের (৫%) কম বা বেশি।মানুষের ডিএনএ কোড হচ্ছে ………ATCGAT আর শিম্পাঞ্জির হলো …..ATCGAA . শুধুমাত্র একটি কোড এর পার্থক্যের জন্য আমরা মানুষ আর ওরা শিম্পাঞ্জি।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২২ শে মে উদ্বোধন হয় দেশের প্রথম কীটপতঙ্গের ডিএনএ বারকোডিং ল্যাব।বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের তত্ত্বাবধানে এবং বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে  “হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহান্সমেন্ট প্রোজেক্ট(হেকেপ)” বাংলায় “উচ্চশিক্ষার মান বৃদ্ধিকরন প্রকল্প” এর আওতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান গবেষনা কারখানায় স্থাপন করা হয়েছে “এনহান্সমেন্ট অব এনটোমোলজিক্যাল রিসার্চ ক্যাপাবিলিটি ইউজিং ডিএনএ বার কোডিং” ল্যাব।এই ল্যাবের সার্বিক পরিচালনা ও দেখভালের দায়িত্বে আছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগ । বিভাগের শিক্ষকদের চার অধ্যাপক বিশিষ্টি একটি দল এটি পরিচালনা করছে।এনারা হলেন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষক এবং জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুল জব্বার হাওলাদার এ প্রকল্পের সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার(এসপিএম)।প্রকল্পের ডেপুটি সাব-প্রজেক্ট ম্যানেজার (ডিএসপিএম) হিসেবে আছেন প্রাণিবিদ্যা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মনোয়ার হোসেন।এবং অন্য দুই সদস্য হলেন অধ্যাপক ড. আবু ফয়েজমো.আসলাম ও অধ্যাপক ড. কবিরুল বাশার। এবার প্রথমেই জেনে নেই ডিএনএ […]

অসচেতনতা না গুরুত্বের অভাবে ট্রেনে কাটা পড়ছে বহু জীবন ”রাস্তায় ঘন্টার পর ঘন্টা মানুষ জ্যামে বসে কাটায়,বাসায় টেলিভিশন দেখে,ফেসবুকে কাটায় কিন্তু রেল যাওয়ার জন্য তারা পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করতে পারে না।”

  ঝক ঝক ঝক ট্রেন চলেছে রাত দুপুরে অই। ট্রেন চলেছে,ট্রেন চলেছে ট্রেনের বাড়ি কই? শামসুর রহমানের ট্রেন কবিতাটি ছোট বেলায় মনে ছন্দের দাগ কাটেনি এমন মানুষ খুঁজে  পাওয়া কষ্টের।কিন্তু বাস্তব জীবনে সব সময় এই ঝক ঝক শব্দ মনে ছন্দের দাগ কেটে যায় না।এইত কদিন আগে রেললাইনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় এই ঝক ঝকাঝক শব্দ খুব বিচ্ছিরি ভাবেই দাগ কেটে গেল।রেললাইনের প্রায় ১০গজ রাস্তায় পড়েছিল মানুষটির শরীরের বিভিন্ন অংশ।এক দৃষ্টিতে দেখে বুঝাও মুশকিল ছিল কোনটা  হাত,কোনটা পা বা মাথা।কে জানে কার সন্তান,ভাই বা স্বামী ছিল।ভাবতেও অবাক লাগছিল পরিবার থেকে হারিয়ে যাওয়া মানুষটির এমন পরিণতির সংবাদ কি পাবে তার পরিবার।প্রায় সময়ই আমরা রেল লাইনে মানুষ কাটা পড়ার সংবাদ  সংবাদপত্রে বা লোকমুখেও শুনতে পাই।কখনো তাদের পরিচয় পাওয়া যায় কখনো যায় না।কিন্তু এক […]

সর্বনাশা মাদক ধ্বংস করে দিচ্ছে রাবি শিক্ষার্থীদের জীবণ ‘আমি প্রথমে বন্ধুদের সাথে আড্ডার ছলে একটু-আধটু মাদক সেবন করতাম। পরে এর ছোবল থেকে আর ফিরে আসতে পারি নি।’

মাদক। শব্দটি শুনলেই যে কারো আতকিয়ে ওঠার কথা। এ নেশা থেকে নিস্তার পাওয়া মৃত্যু ছাড়া বিকল্প পথ খুব কম সংখ্যক লোকই খুঁজে পেয়েছে। এর ছোবল থেকে রেহাই পেতে গড়ে উঠেছে মাদক নিরাময় কেন্দ্র। কিন্তু কজনই বা নিরাময়ে সুস্থ হয়, বেশির ভাগ মাদকাসক্তের শেষ পরিনতি মৃত্যু। বাংলাদেশের মতো একটি ক্ষুদ্র অর্থনীতির দেশে এটা সত্যিই দু:খজনক। দেশের অন্যতম বিভাগ রাজশাহী অঞ্চলে মাদকব্যবসা পূর্বে  ফেনসিডিল ও গাঁজার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও বর্তমানে ভারত থেকে সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে অবাধে আসছে হেরোইন ও ইয়াবা। ফলে অন্যান্য নেশার থেকে ইয়াবাসেবীর সংখ্যা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। এর ভায়াবহতা থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় পিছিয়ে নেই। এ নেশা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করছে ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের।  বিশ্ববিদ্যালয়কে ঘিরে গড়ে উঠেছে রমরমা মাদক ব্যবসা। হাত বাড়ালেই মিলছে মাদকদ্রব্য। এতে করে ক্যাম্পাসে মাদকাসক্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েই […]

‘আমার ব্যাথা বোঝার কেউ নাই’ মহান মুক্তিযুদ্ধে তার বাবা নিতাই চন্দ্র দাস যুদ্ধ করেছিলেন। তখন তার বয়স ছিল পনের। তিনি যুদ্ধাস্ত্র এগিয়ে দিয়ে মুক্তি বাহিনিকে সাহায্য করেছিল। এমনকি যুদ্ধের সময় তার পরিবার ভারতের নারায়ণ ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়েছিল। কিন্তু আজ তাদের নাম মুক্তিযোদ্ধার কোটায় নেই।

সনাতন ধর্মীয় পুরাণ ও সাহিত্যে প্রেম-বিরহের অনুষঙ্গ হিসেবে আমরা বাঁশির ব্যবহার দেখতে পাই। কিন্তু সময়ের ক্রমবিকাশের ধারাবাহিকতায় এই বাঁশি জীবিকার ও ভালো লাগার মাধ্যমও হয়ে দাঁড়িয়েছে। সুর ও সঙ্গীতপ্রিয় তেমনি এক মানুষ রাজশাহীর পুটিয়ার গনেশ। বয়স সত্তর ছুঁই ছুঁই। ছোটবেলা থেকেই বাঁশির প্রতি তার গভীর আকর্ষণ। ইচ্ছে ছিল বাঁশিতে তালিম নিয়ে নাম লেখাবেন সাংস্কৃতিক অঙ্গনে, মন-মাতাবেন দর্শকদের। কিন্তু দারিদ্র্যতার চাপে গনেশের ভাগ্যে তা হয়ে ওঠেনি। নিতে পারেননি তেমন প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা। এর পরও তিনি বাঁশি ছাড়েননি। নিজের প্রচেষ্টায় শখের বাঁশি আয়ত্বে আনার চেষ্টা চলে নিরন্তর। অবশ্য এখন সুন্দর বাঁশিও বাজাতে পারেন তিনি। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জীবন ও জীবিকার তাগিদে বেছে নেন বাঁশি বিক্রির এ পেশা। ‘আমার ব্যাথা বোঝার কেউ নাই ,একমাত্র সৃষ্টিকর্তা ছাড়া।  আমি ৩০ বছর যাবৎ এ ক্যাম্পাসে বাশি […]