লিখেছেন: sanjeeda pinki

যেখানে গাছের কদমছাট দেয় হরিণ সুন্দরবন

খুলনা জেলার সুন্দরবন , যার সাথে কোন এলাকার বনের তুলনা হয় না। হবেই বা কেন , কারণ সে যে বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।সেখানে যতদূর চোখ যাবে দেখা যাবে নদীর কোল ঘেষে গড়ে উঠা সবুজের সমারোহ।তাছাড়া আরও দেখা মিলবে জলচর ও উভচর প্রাণীর দেখা।সাথে আরো থাকবে গা ছম ছম করা রোমাঞ্চকর অনুভূতি ও বনের মাঝে লুকিয়ে থাকা অজানা রহস্যর টান।ঘুরে বেড়ানোর জন্য সুন্দরবনের সকল এলাকাই আকর্ষণীয় তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে সর্বত্র ঘুরে বেড়ানো সম্ভব নয়। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের এই রাজ্যকে ঘুরে দেখার জন্য সেখানকার জাহাজগুলোতে ভেসে বেড়াতে হয় চার থেকে পাঁচ দিন।তবে বনের নির্দিষ্ঠ কিছু এলাকা দেখে ভ্রমণ এক বা দুই দিনে শেষ করা ও সম্ভব।জাহাজে ভেসে বেড়ানোর সময় আমরা দেখতে পাই নদীর তীরে গাছগুলোর পাতা খেয়ে সমান করে রেখেছে সেখানকার […]

ফুলের গন্ধে ঘুম আসে না

প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্যকে কে না ভালবাসে ? ইট -পাথরের শহর থেকে নাগরিক ব্যস্ততার অবসরে মানুষ ছুটে যায় প্রকৃতিরই কাছে । প্রকৃতি যদি ফুলের সমাহারে পরিবেষ্টিত হয় তবে তো কথাই নেই । যেন ফুলের গন্ধে ঘুম আসবে না ।এমন  এক সৌন্দর্যমন্ডিত নানা রঙের রংধনুর মত চাদর বিছানো মাঠের নাম গদখালির পানিসারা গ্রাম। যা ফুলের রাজধানি বা ফুলের স্বর্গরাজ্য  হিসেবেই পরিচিত।তবে তা সখের বসে তৈরি করা বাসা বাড়ির আঙ্গিনার ফুলের বাগান নয়। না অন্য কোন দেশে নয়(কাশ্মীরের টিঊলিইপ বাগান নয়) আমাদের এই ছোট দেশেই অবস্থিত।যশোর শহর থেকে প্রায় ২৫-৩০কিঃমিঃ দুরে অবস্থিত দক্ষিণ-পশ্চিমে্র দুটি থানা ঝিকরগাছা ও শার্শা। এ দুটি থানার ৬টি ইউনিওনের ৯০টি গ্রামের প্রায় ৪হাজার বিঘা জমিতে এই ফুলের চাষ।মাঠের পর মাঠ যতদুর চোখ যাবে দিগন্তের সাথে মিশে যাবে ফুলের সমারোহ।লাল,নীল,হলুদ্‌,গোলাপী,কমলা […]