বিভাগ: শিল্পায়ন ও অবকাঠামো

বাংলাদেশে পাট ও পাটজাত পণ্যের সম্ভাবনা

পাটকে বাংলাদেশের সোনালী আঁশ বলা হয়। সেই ধারাবাহিকতায় পাটজাত পণ্যও বাংলাদেশের সোনালী পণ্য হিসেবে ক্রমশই মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। পাটজাত পণ্য উৎপাদনে সারা বাংলাদেশেই বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে উত্তরাঞ্চলের নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে পাটজাত পণ্য তৈরি ও সম্ভাবনা ব্যাপকভাবে সাড়া ফেলেছে। রংপুরসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে পাট ও পাটজাত পণ্য উৎপাদনের জন্য অনেক ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প গড়ে উঠেছে। যা পাট ও পাটজাত শিল্পকে একটা নতুন মাত্রা দিয়েছে। শুধু রংপুরই নয়, দেশের বিভিন্ন জেলায় এমনিভাবে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কারখানা গড়ে উঠেছে। দেশে বর্তমানে পাট দিয়ে মোটামুটি সব ধরনের পণ্যই উৎপাদন হচ্ছে। নিজ উদ্যোগে অথবা সরকারী-বেসরকারী কিছু সংস্থা বা এসএমই-র মাধ্যমে প্রশিক্ষণ নিয়েও উত্তরাঞ্চলের মহিলারা নানা রকম পণ্য উৎপাদন করছে। বস্ত্র, সুতা, কার্পেটের মতো পণ্যের বাইরেও সোনালি আঁশ পাট দিয়ে […]

পিছিয়ে নেই এক পাও নারীরা

আদিম যুগের কৃষিকাজ থেকে শুরু করে বর্তমানের নির্মাণসভ্যতার গড়ে ওঠার পিছনে পুরুষের পাশাপাশি বহু নারীর অক্লান্ত শ্রম ও সাধনা রয়েছে। সংসার ও সন্তান পালনের পাশাপাশি এসব নারীরা সভ্যতা নির্মাণে অংশগ্রহণ করলেও পুরুষের সমমর্যাদা তারা কখনোই পায়নি। শুধু নিরবে জাতিকে দিয়ে যায় তার শ্রমের ফসল। এরকমই এক নারী শ্রমিক সেলিনা হোসেন। গ্রামের বাড়িব গোপালগঞ্জ। সেলিনার স্বামী মারা যায় আজ থেকে পাঁচ বছর আগে। দুই ছেলে আর গর্ভে এক সন্তানকে নিয়ে সেলিনা তখন দিশেহারা কিন্তু জীবনতো আর থেমে থাকে না। সেলিনা তখন শুরু করে কৃষিকাজ। দৈনিক পাঁচ ঘন্টা করে সে কাজ করতো। ধান লাগানো থেকে শুরু করে ধান কাটা, মাড়াইসহ সব কাজ করতো। মজুরি বাবদ সে দৈনিক ২০০ টাকা করে পেত। যা দিয়ে চারজনের খাওয়াখরচ চালাতেই কষ্ট হয়ে যেত। উপায়ন্তর না পেয়ে […]